টক অব দ্যা সিলেট: হুছামুদ্দীন চৌধুরী কি নির্বাচনে আসছেন?

1971

জকিগঞ্জ ভিউ:: আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীতাকে কেন্দ্র করে সিলেটে সর্বাধিক আলোচিত হচ্ছেন মাওলানা হুছামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী। বিভিন্ন সূত্র থেকে শোনা যাচ্ছে তিনি সিলেট ৫ (জকিগঞ্জ-কানাইঘাট) আসনে মহাজোটের প্রার্থী হবেন। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে সম্ভাব্য প্রার্থীরাও মনে করছেন তিনি এ আসনে মহাজোটের মনোনয়ন পাবেন। এ আসনে নির্বাচন করার জন্য জোটের উচ্চ পর্যায় থেকেও তার সাথে যোগাযোগ করা হচ্ছে এবং তাকেই সবচেয়ে যোগ্য প্রার্থী মনে করা হচ্ছে মর্মে ইতোমধ্যে বিভিন্ন পত্রিকা রিপোর্টও করেছে। সচেতন মহলের ধারণা, সিলেটের ১৯ আসনে আল্লামা ফুলতলীর লাখ লাখ অনুসারী-মুরীদের আস্থা ও ভোট কাড়তেই তাকে প্রার্থী করতে চাচ্ছে মহাজোট। মহাজোটের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে এ যোগাযোগের বিষয়টি আল ইসলাহ ও তালামীযে ইসলামিয়ার শীর্ষ পর্যায়ের দায়িত্বশীলবৃন্দ অবগত আছেন বলেও জানা গেছে। তবে বিশ্বস্ত সূত্রের বক্তব্য অনুযায়ী মাওলানা হুছামুদ্দীন চৌধুরী নির্বাচন করতে আগ্রহী নন। আল্লামা ফুলতলী (র.) ও তার সংগঠনের নীতি-আদর্শ ইত্যাদি বিবেচনায় পরিবারের সদস্যবৃন্দ, আনজুমানে আল ইসলাহ ও তালামীযে ইসলামিয়ার শীর্ষ নেতৃবৃন্দ জোটভুক্ত হয়ে নির্বাচনে তার প্রার্থী না হওয়াটাকে ভালো মনে করেন। তাদের বক্তব্য হলো আল্লামা ফুলতলীকেও মন্ত্রীত্বের অফার দেওয়া হয়েছিল কিন্তু তিনি তা গ্রহণ করেননি। অধিকন্তু মাওলানা হুছামুদ্দীন চৌধুরীসহ তাঁর পরিবারের সদস্যবৃন্দ মানুষের নিকট যে সম্মান ও মর্যাদার আসনে সমাসীন তা এমপি, মন্ত্রী হওয়ার চেয়েও বেশি।একই বিবেচনায় বিগত নির্বাচনে মহাজোটের প্রস্তাব পেয়েও তিনি অংশ গ্রহন করেননি। বর্তমান পীর সাহেব আল্লামা ইমাদ উদ্দিন চৌধুরী এ বিষয়ে কী ভাবছেন তাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ফুলতলী সিলসিলার বর্তমান পীর হিসেবে সব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তার সিদ্ধান্তই শেষ কথা বলে গণ্য হয়ে থাকে। সবমিলিয়ে মাওলানা হুছামুদ্দীন চৌধুরী হয়তো প্রার্থী নাও হতে পারেন। তবে তার পরিবার ও সংগঠনের সমর্থন যে প্রার্থীর পক্ষে যাবে তিনিই এ আসনে বিজয়ের মালা পরবেন এমনটি মনে করছেন অনেকেই।