ছাত্রছাত্রীদের জন্য ঢাবি পড়ুয়া জকিগঞ্জী শিক্ষার্থীদের পরামর্শ

1247
বাঁ থেকে- ঢাবি ছাত্র ফখরুল ইসলাম কল্প, মিফতাহুল ইসলাম তালহা, মো: হামিদুর রহমান, জকিগঞ্জ ভিউ নির্বাহী সম্পাদক আহমদ আল মনজুর, ঢাবি ছাত্রী কাওসারা বেগম এবং ছাত্র মো: নাইমুল হাসান

জকিগঞ্জ ভিউ::

ছাত্রছাত্রীদের জন্য ঢাবি পড়ুয়া জকিগঞ্জী শিক্ষার্থীদের পরামর্শ

-আহমদ আল মনজুর

গেল ১৯শে ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া জকিগঞ্জী শিক্ষার্থীদের সাথে এক আড্ডায় শামিল হই।

জকিগঞ্জকে নিয়ে আমার স্বপ্ন আকাশছোঁয়া, বিশেষ করে শিক্ষা ক্ষেত্রে। আমি চাই জকিগঞ্জের ছাত্রছাত্রীদের সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া জকিগঞ্জের অন্যান্য শিক্ষার্থীদের একটা যোগাযোগ তৈরি করতে। যাতে জকিগঞ্জের ছাত্রছাত্রীরা উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করতে অনুপ্রাণিত হয়।

তাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে সেখানকার পড়ুয়া জকিগঞ্জী শিক্ষার্থীদের সাথে যোগাযোগ করি। আড্ডা টি বাস্তবায়ন করতে সবচেয়ে সহযোগিতা করে আমার আলিমের সহপাঠী কাওছারা বেগম । তাকে আন্তরিকভাবে সাধুবাদ জানাই। আল্লাহ তাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন।

আড্ডার একপর্যায়ে জকিগঞ্জের ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে আমার স্বপ্নের কথা ব্যক্ত করি। তখন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তাদের নিজেদের ভাবনা গুলো তুলে ধরেন এবং জকিগন্জের শিক্ষার্থীদের জন্য তাদের পরামর্শ গুলো পাঠিয়ে দিয়েছেন। এছাড়াও যে কোনো প্রয়োজনে তাদের সাথে যোগাযোগ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

“আমি কাওছারা বেগম। আমার পড়াশোনা তোমাদের মতোই জকিগঞ্জে একটি সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। কসকনকপুর গাজির মোকাম দাখিল মাদ্রাসা থেকে দাখিল (২০১৩) এবং ইছামতি দারুল উলুম কামিল মাদ্রাসা থেকে আমি আলীম (২০১৫) পাস করি। দাখিল, আলীম কোনোটাতেই আমার এ প্লাস ছিল না। আলীম পরীক্ষার পর কোচিং করার ও কোনো সুযোগ ছিল না। আমার কাছে একটাই জিনিস ছিল, সেটা হচ্ছে আমার স্বপ্ন। আমি আবদুল্লাহ আবু সাইদ স্যারের একটা কথা বিশ্বাস করি, ” মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড়”। এই স্বপ্নই আমাকে আজ এই জায়গায় নিয়ে এসেছে।

অনেকে মনে করেন ভালো কলেজে না পড়লে, কোচিং না করলে বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স হয় না, আবার অনেকে মনে করেন মাদ্রাসার ছাত্ররা ভালো কিছু করতে পারে না বা মাদ্রাসায় পড়ে ভালো কিছু করা সম্ভব নয়, প্রকৃতপক্ষে বিষয়টি এমন না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হয়েছেন মাদ্রাসার ছাত্র এরকম উদাহরণ অসংখ্য।

সবচেয়ে বেশি যেটি প্রয়োজন সেটি হচ্ছে নিয়মিত পড়াশুনা করা। আর পড়াশুনা বলতে ১২/১৪ ঘন্টা টেবিলে বসে টানা পড়া নয় বরং ইন্টারমিডিয়েট বা আলীমের পড়ার পাশাপাশিই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির প্রস্তুতি শুরু হতে পারে।বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নগুলো এমন ভাবে করা হয় যে, বাংলা ইংরেজি গনিতে যাদের বেসিক ভালো তারা খুব সহজেই চান্স পায়। তাই যদি আলীম/ ইন্টারমিডিয়েটের মূল বইগুলো বা নবম/দশম শ্রেণীর মূলবই গুলো খুব ভালো করে বুঝে পড়া হয় তাহলে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুুতি অর্ধেক সম্পন্ন হয়ে যায়। এইচএসসি বা আলীম পরীক্ষার পরে কোন একটা সঠিক গাইডলাইন ধরে ৩/৪ মাস পড়লে বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাওয়া খুব কঠিন কিছু না।তার জন্য হাজার হাজার টাকা খরচ করে সুনাম ধন্য শহুরে কলেজে পড়া কিংবা কোচিং করার প্রয়োজন নেই।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া জকিগঞ্জের যে কয়জন শিক্ষার্থী আমরা আছি তারা সবাই এ ব্যাপারে খুব আন্তরিক। সবাই তোমাদের সাহায্যের জন্য প্রস্তুত। যে কোনো গাইডলাইন যেকোনো কিছুর জন্য যোগাযোগ করতে পারো আমাদের সাথে। বাড়ি থকে অনেক দূরে থাকবো, কিভাবে পড়ব, কিভাবে এ অমূলক ভয় থেকে বেরিয়ে এসে তোমরা বিশ্বজয়ের স্বপ্ন দেখো- এটাই আমাদের কামনা।”

কাওছারা বেগম
৪র্থ বর্ষ, ইতিহাস বিভাগ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
kawsara.koly@gmail.com

“কিছুদিন আগের ঘটনা। ইন্টার ২য় বর্ষে পড়েন এক ভাইয়ের সাথে পরিচয় হয়। একসময় অনেকটা বন্ধুত্বের মত সম্পর্ক হয়ে যায়। একদিন আমি বললাম যে, দেখো ভাই, তুমি এখন ইন্টার ২য় বর্ষে পড়। তোমার যদি ইচ্ছা থাকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার, তাইলে অনেক বড় এক সুযোগ আছে তোমার। খুব বেশি পরিশ্রম করা লাগবে না। কিন্তু নিয়মিত পড়তে হবে এবং আমি আরো ২/১ টা দিকনির্দেশনা দিলাম। তখন তিনি শুধু বলছিলেন, ইনশাআল্লাহ চেষ্টা করব। এই পর আর এই ভাইটা এবিষয়ে আমার সাথে আর কখনোই কথা বলেন নি। এমনকি আমি পড়ালেখার বিষয়টা তুললেই তিনি এড়িয়ে যান। সুতরাং বুঝাই যাচ্ছে যে, উনার ন্যূনতম আগ্রহ নেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করার। এটা জকিগঞ্জের ছাত্রদের একটা সামগ্রিক চিত্র।এখন তাদের উদ্দেশ্যে আমি বলব যে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখার জন্য তাদের ইচ্ছাশক্তিটা আসল। এখানে চান্স পাওয়া খুব কঠিন কিছু না। পড়ালখার বিষয়ে তোমাদেরকে যেকোনো ধরণের সাহায্য করতে আমরা প্রস্তুত। এখন শুধুমাত্র তোমাদের ইচ্ছাশক্তিটাই দরকার।”

মো. হামিদুর রহমান
ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ
৩য় বর্ষ,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

“ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কয়েকশ জেলা, উপজেলা ভিত্তিক সংঘটন আছে। গত রমজান মাসে নোয়াখালির একটা উপজেলা সংঘটনের ইফতার মাহফিলে গিয়েছিলাম। গিয়ে দেখলাম দুইশ’র মতো ছাত্র। নোয়াখালির একটা উপজেলা থেকে দুইশ’র মতো ছাত্রছাত্রী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে, এবং প্রতিটা বিসিএসে তাদের দশ পনেরো জন ক্যাডার হয়! এটা শুধু ওই উপজেলার চিত্র নয়। সিলেট বাদে দেশের অন্যান্য প্রায় সকল অঞ্চলের চিত্র। আর সিলেটীদের অবস্থা? অন্যান্যরা যেখানে উপজেলাভিত্তিক সংঘটন চালায়, আমাদের সিলেটীদের সেখানে বিভাগভিত্তিক সংঘটন একটা আছে, তাতেও সদস্য সংখ্যা অন্যান্য অঞ্চলের কোন কোন উপজেলার মতোই! জকিগঞ্জ উপজেলা থেকে আছে মোটে দশ বারোজন ছাত্রছাত্রী।

এর কারণ আপনারা জকিগঞ্জবাসীরা ভালো করেই জানেন। আমাদের স্টুডেন্টরা বড় কিছুর স্বপ্নই দেখে না, চেষ্টা করা দূরের ব্যাপার। জকিগঞ্জের স্টুডেন্টরা ভাবতেই পারে না যে তারাও চেষ্টা করলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে পারে। তাদের স্বপ্ন কোনরকম এইচএসসি পাশ করে বিয়ানিবাজার কলেজে অনার্স বা ডিগ্রি পড়া। খুব বেশি হলে এমসি কলেজ। এর বাইরে যে কিছু করার থাকতে পারে সেটা কেউ ভাবে না।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, শাবিপ্রবি বা অন্যান্য পাবলিক ভার্সিটিতে পড়তে হলে কি বাপের খুব টাকা পয়সা থাকা লাগে? ছোটবেলা থেকে শহরের নামকরা স্কুল কলেজে পড়া লাগে? মোটেও না। আমার বাপের টাকা পয়সা ছিলো না, নামকরা দুরের কথা, মোটামুটি মানের স্কুল কলেজেও পড়ালেখা করতে পারিনি। জকিগঞ্জ সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি দিয়েছি। যে কলেজে ওই সময় সব মিলিয়ে চার পাঁচজন টিচার ছিলেন! এডমিশনের জন্য কোচিং ও করতে পারিনি। বাড়িতে বই কিনে পড়েছি। এতসব প্রতিকূলতার পরেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ১৯৬ তম হয়ে এখন আমি একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন বিভাগে পড়ি। যেটা ঢাবির অন্যতম প্রেস্টিজিয়াস সাবজেক্ট। অথচ স্কুল কলেজে আমার কখনো এ প্লাসও ছিলো না।

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাওয়ার জন্য খুব বেশি কিছু দরকার নেই। সামান্য মেধার সাথে অক্লান্ত পরিশ্রম, অদম্য ইচ্ছা আর সঠিক গাইডলাইন দরকার। এসএসসি এইচএসসিতে এ গ্রেডের উপরে থাকলে কেউ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বপ্ন দেখতে পারে। যারা এবার এইচএসসি দিচ্ছে তারা আগে এইচএসসিতে ভালো করে এক্সামের পর ভার্সিটি প্রিপারেশন নিক। যারা নিচের ক্লাসে পড়ছে তাদের এখন থেকে স্বপ্ন দেখলে সহজ হবে। মাদরাসার স্টুডেন্টদের ভয় পাওয়ার কিছু নেই। জকিগঞ্জের যারা ঢাবিতে পড়ে বেশিরভাগ মাদরাসা ব্যাকগ্রাউন্ড। এসএসসি এইচএসসিতে ভালো রেজাল্ট গুরুত্বপূর্ণ। আর গুরুত্বপূর্ণ হলো ভালো গাইডলাইন। নিজে যেটার উপযুক্ত সেটার জন্য এগুতে হবে। এ গ্রেড রেজাল্ট নিয়ে মেডিকেল বুয়েটের জন্য কোচিং করলে আম ছালা দুটোই যাওয়ার রিক্স। কিংবা শুধু সাস্টের প্রিপারেশন নিয়েও হয় না। কারন সাস্টের এক্সাম সবার শেষে। পরে চান্স না পেলে আর অপশন থাকে না। ঢাবির প্রিপারেশন নিলে পরে সবগুলোতেই এক্সাম দেয়া যায়।

আমাদের একটা সংগঠন আছে ‘সিলসা’ নামে। যেটি কোচিং ফ্রি এডমিশনের জন্য কাজ করে থাকে। ছাত্ররা ফেসবুকে সময় নষ্ট করে। সিলসা সেই ফেসবুকের হেল্প নিয়ে তাদের পড়ালেখায় অনুপ্রাণিত করে, সহায়তা দেয়।
আমরা সারাবছর ফ্রিতে পরামর্শ দেই, নোটস শেয়ার করি, অনলাইন মডেল টেস্ট নেই। এডমিশন সিজনে সেমিনার করি। সারাবছর ধরে ছাত্রদের এডমিশনের জন্য সহায়তা করি। বর্তমানে মেম্বার পাঁচ লাখের বেশি। দেশের প্রায় সাতশ’ কলেজে সিলসার কলেজ এম্বাসেডর আছে। শুধু সিলসার গাইডলাইন অনুসরণ করে গতবছর অসংখ্য স্টুডেন্ট ঢাবিতে চান্স পেয়েছে। জকিগঞ্জের স্টুডেন্টরা অন্তত সিলসার ড্রিম টু ঢাকা ইউনিভার্সিটি গ্রুপ ভিজিট করলে উপকৃত হবে আমি নিশ্চয়তা দিতে পারি। লিংক দিচ্ছি।

গ্রুপ- https://m.facebook.com/groups/1877958442425268?multi_permalinks=2379363052284802&_rdr
পেজ – https://m.facebook.com/SILSWA

এই গ্রুপ যারা পরিচালনা করে সবাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টুডেন্ট। সবাই নিঃস্বার্থ, ভলান্টারি কাজ করে। গ্রুপে সকল প্রয়োজনীয় গাইডলাইন পাওয়া যাবে। জকিগঞ্জের স্টুডেন্টদের এরচেয়ে বেশি প্রয়োজনে আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া জকিগঞ্জবাসীরা আছিই। আমাদের শুধু রীচ করতে হবে। আমরা চাই জকিগঞ্জের স্টুডেন্টরা অনুপ্রাণিত হোক, স্বপ্নটা দেখুক, স্বপ্ন দেখতে পারলে চেষ্টা তারা নিজেরাই করবে।”

ফখরুল ইসলাম কল্প,
বিবিএ ২য় বর্ষ, একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগ,
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
ফোনঃ 01743-709351

“আমি নাইমুল হাসান। সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত জকিগঞ্জের মনসুরপুরেই পড়াশুনা করি। এরপর চলে আসি প্রিয় মাদ্রাসা; দারুননাজাত সিদ্দীকিয়া কামিল মাদ্রাসা, ঢাকায়। তবে দারুননাজাত আমাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বপ্ন দেখায় নি।স্বপ্ন দেখতে, পড়তে এবং ত্যাগ করতে শিখেছিলাম মেজো ভাই নুরুল হাসান চৌধুরীর (ইসলামিক স্টাডিজ, ঢাবি) কাছ থেকে। আর পরামর্শ এবং মনোবল পেয়েছিলাম বড় ভাই মো.আমিনুল হাসান চৌধুরীর কাছ থেকে। আর পিতামাতা, তাদের বর্ণনা দেওয়া এখনো শিখিনি এবং এটাই সত্য কখনো পারবো ও না। আমার কাছে মনে হয় “ভয় ভয়-ই জন্ম দেয়।” এখানে কোন চূড়ান্ত সমাধান নেই। সমাধান কেবল সাহসিকতা ও যৌক্তিকতার মধ্যে নিহীত।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া কলম্বাসের আমেরিকা আবিষ্কারের মত লেখোচিত্রে আঁকা কাল্পনিক পথ নয়। বরং সঠিক নির্দেশনা, নিয়মিত অধ্যায়ন, মনের একান্ত ইচ্ছে এবং সাপোর্ট খুবই কার্যকর ভূমিকা পালন করে। সর্বোপরি নিজের ইচ্ছে এবং সাহসিকতা সহজেই স্বপ্নের দ্বার প্রান্তে নিয়ে যায়।
মোটের উপর আমি বলতে চাই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে মাদ্রাসা-কলেজ, গ্রাম-শহর, মেধাবী-অমেধাবী এসব কেবল মস্তিষ্কের পশ্চাৎমূখী চিন্তা ব্যতিরেক কিছু নয়। বিশ্বাস, সাহসিকতা ও নিয়মিত অধ্যয়ন সফলতার মূল ধাতু। অনুজদের সর্বোচ্চ সেবা( পরামর্শ হোক আর যাই হোক) প্রদানের জন্য নিয়োজিত আছি। fb. Merit Deposit ”

মো. নাইমুল হাসান চৌধুরী
বিএসএস, সমাজবিজ্ঞান বিভাগ ২য় বর্ষ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

[লেখক: নির্বাহী সম্পাদক, জকিগঞ্জ ভিউ।]