৬ মে, অনুপ্রেরণাদায়ী মহান বালাকোট দিবস- মারজান আহমদ চৌধুরী ফুলতলী

40

জকিগঞ্জ ভিউঃ  বেরেলী থেকে দিল্লী, এরপর মর্দান পেশাওয়ার মাড়িয়ে বালাকোট পর্যন্ত পৌঁছা সহজ ছিল না। ইমামুল হিন্দ শাহ ওলীউল্লাহ দেহলভীর চিন্তা-দর্শনকে হৃদয়ে পুরোপুরি ধারণ করা সহজ ছিল না। তাসাউফের খানকা ছেড়ে জিহাদের ময়দানে নামা সহজ ছিল না। শাহ আবদুল আযীযের ব্রিটিশবিরোধী ফতোয়ার ওপর আমল করা সহজ ছিল না। হাজার হাজার অমুসলিমকে ইসলামের পতাকাতলে নিয়ে আসা সহজ ছিল না। ইমাম আহমদ সেরহিন্দ মুজাদ্দিদে আলফে সানীর আদর্শকে ধারণ করে কুসংস্কারের বিরুদ্ধে লড়াই করা সহজ ছিল না। ভারতবর্ষের স্বাধিকার আন্দোলন এবং উপমহাদেশে মুসলমানদের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়া সহজ ছিল না। ইসলাম প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের অগ্রসেনানীর ভূমিকা নেয়া সহজ ছিল না। বালাকোট ময়দানে রক্ত ঢেলে দেয়া সহজ ছিল না।

মাত্র পঁয়তাল্লিশ বছরের স্বল্প জীবনে এ সব কঠিন কাজই করে দেখিয়েছেন আমিরুল মুসলিমীন সায়্যিদ আহমদ বেরেলভী, শহীদ। এমন শহীদ, যার দেহটি পর্যন্ত খুঁজে পাওয়া যায়নি।

ইতিহাস যদিও বালাকোটকে পরাজয়ের অধ্যায়ে তালিকাভুক্ত করেছে, কিন্তু বালাকোট পরাজয় নয়। বালাকোট অনন্ত বিজয়ের উৎস! কারণ ১৮৩১ সাল থেকে আজ পর্যন্ত উপমহাদেশে যত ইসলামি আন্দোলন হয়েছে, হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে হবে, সবগুলোই বালাকোট আন্দোলনের প্রতিধ্বনি।