অধ্যক্ষ মাজেদ আহমদ চঞ্চলের বিরুদ্ধে অপপ্রচারঃ কর্তৃপক্ষের অভিযোগ দায়ের

351

হাবীব দীদার, সিনিয়র রিপোর্টার

জকিগঞ্জ ভিউঃ জকিগঞ্জের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, কলামিস্ট, কবি ও সাহিত্যিক, লুৎফুর রহমান স্কুল এন্ড কলেজের স্বনামধন্য সাবেক অধ্যক্ষ মাজেদ আহমদ চঞ্চলের জনপ্রিয়তায় হীর্ষান্বীত হয়ে এক শ্রেণীর সামাজিক যোগাযোগ মাধ‍্যম অপপ্রচার চালাচ্ছে।

উক্ত ঘটনায় লুৎফুর রহমান স্কুল এন্ড কলেজের সাবেক বর্তমান শিক্ষার্থী, এলাকার সর্বস্থরের জন সাধারনের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয় ।
জকিগঞ্জ উপজেলার সফল একজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে এমন অপপপ্রচার এলাকাবাসীকে হতাশ করেছে ।

অধ্যক্ষ মাজেদ আহমদ চঞ্চল কে নিয়ে অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ দায়ের করেছেন স্কুল এন্ড কলেজ কর্তৃপক্ষ ও গভর্নিং বডির সদস্যবৃন্দ ।

অনুসন্ধান করে জানা যায়, এই প্রতিষ্ঠানের সাবেক অধ্যক্ষ মােঃ মাজেদ আহমেদের নেতৃত্বে সিলেট অঞ্চলে সর্বাগ্রে এই প্রতিষ্ঠানে কারিগরি ও উচ্চ মাধ্যমিক কলেজ শাখা চালু করে অত্যন্ত সুনামের সাথে পরিচালিত হয়ে আসছে ।

মাত্র ২০০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে ১৯৯৮ সনে এই প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করে তাঁর সততা, মেধা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির স্কুল শাখার প্রভুত উন্নয়নের পাশাপাশি ২০০০ সনে কারিগরি ও ২০১২ সনে কলেজ শাখা খোলে প্রতিষ্ঠানটি কে ১৪ শতাধিক ছাত্র ছাত্রীর কর্মমুখর প্রতিষ্ঠানে রুপান্তরিত করেছেন ।

তাঁর নিয়মিত উপস্থিতি, কর্মদক্ষতা, সামাজিক সম্পৃক্ততার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি ২০১৯ সনে সরকারি ভাবে জকিগঞ্জ উপজেলার শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্টান প্রধান (মাধ্যমিক) নির্বাচিত হয়ে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিজন কুমার সিনহার নিকট হতে ক্রেস্ট গ্রহণ করেছেন ।

শিক্ষক স্বল্পতা ও অবকাঠামােগত অপ্রতুলতার কারণে দু’এক বছর কম হলেও, অধিকাংশ সময়ই প্রতিষ্ঠানে অনেক ভালাে ফলাফল হয়ে আসছে। বিগত ২০১৪ হতে ২০২০ পর্যন্ত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায় যে, জেএসসি পরীক্ষায় সর্বোচ্চে ৯৩.০৩% (গড়ে ৮৫-৫৩%), এসএসসি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ ৮৯.৫৫% (গড়ে ৭২.৫৭%) ও এসএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষায় ৯৫.৭৯% (গড়ে ৮০.১২%) শিক্ষার্থী পাশ করেছে।

প্রতিষ্ঠানের সদ্য সাবেক অধ্যক্ষ মাে: মাজেদ আহমেদ ৩৭ বছরের একজন স্বনামধন্য, অভিজ্ঞ শিক্ষক । তিনি অত্যন্ত সততা, সুনাম, কর্মদক্ষতা ও আন্তরিকতার সাথে সুদীর্ঘ ২৩ বছর প্রধান শিক্ষক হিসেবে এই ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করেছেন । এই দীর্ঘ সময়ে তার বিরুদ্ধে ছাত্র, শিক্ষক অভিভাবক মন্ডলী গভর্নিংবডি, এলাকাবাসী বা উর্ধতন কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোন ধরনের অভিযােগ উত্তাপিত হয়নি বরং তার জনপ্রিয়তা ছিল সর্বস্থরে । এছাড়া বিভিন্ন শিক্ষামূলক, সামাজিক ও উন্নয়ন কর্মকান্ডে তার গৌরবজনক সম্পৃক্ততা রয়েছে। মানবসম্পদ উন্নয়নে কাজ করা, সিলেট বিভাগের শ্রেষ্ঠ বেসরকারি সংস্থা সীমান্তিকের চেয়ারপার্সন হিসেবে অবৈতনিক ভাবে সমাজ সেবায় কাজ করেছেন ।

এছাড়াও তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত বাংলাদেশ স্কাউটসের সিলেট অঞ্চলের (সিলেট, হবিগঞ্জ, মৌলভী বাজার, সুনামগঞ্জ ও সিলেট মেট্রোজেলার) প্রায় এক কোটি টাকার বার্ষিক বাজেট সমৃদ্ধ স্কাউট সংস্থার “অবৈতনিক ভলান্টিয়ার” হিসাবে ট্রেজারারের দায়িত্ব পালন করে আসছেন । এই ধরনের সামাজিক ও শিক্ষামূলক সংস্থার অনারারি ভলান্টিয়ার হিসাবে পদবীধারীদের সংস্থায় দৈনন্দিন কোন কাজ থাকে না এবং এমন কাজের জন্য কোনও প্রকার বেতন ভাতা প্রদান করা হয় না । অতএব এই সমস্ত সামাজিক ও সরকারি কাজে অংশগ্রহণের কারণে তাঁর অনুপস্থিতির বিষয়টি মোটেই সত্য নয়।

এ ব্যাপারে সাবেক অধ্যক্ষ মাজেদ আহমেদ চঞ্চলের সাথে ফোনে যোগাযোগ করলে, তিনি এসব মিথ্যা, ভুয়া ও ভিত্তিহীন অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হতে সকলের প্রতি অনুরোধ জানান ।