সিলেটের এমসি কলেজে নারী ধর্ষণের ঘটনায় তালামীযে ইসলামিয়ার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

37

জকিগঞ্জ ভিউঃ  সিলেটের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মুরারিচাঁদ কলেজের (এমসি কলেজ) ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রী ধর্ষণের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়া।

২৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় তালামীযে ইসলামিয়ার কেন্দ্রীয় সভাপতি আখতার হোসাইন জাহেদ ও কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক হুমায়ূনুর রহমান লেখন এক যৌথ বিবৃতিতে এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে কতিপয় বিপথগামী ছাত্র নামধারী যুবক কর্তৃক নারী ধর্ষণের ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে জড়িতদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

বিবৃতিতে তাঁরা বলেন, শতবর্ষের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে ধর্ষণের মতো ন্যাক্কারজনক ঘটনায় তালামীযে ইসলামিয়া হতভম্ব ও বিস্মিত। জ্ঞান বিতরণের সূতিকাগার হিসেবে প্রতিষ্ঠানটি যেখানে জ্ঞানগত কোন বিষয় নিয়ে সুনাম ছড়ানোর কথা, সেখানে কতিপয় ছাত্র সংগঠনের কর্মীদের দ্বারা ধর্ষণের মতো অমানবিক ঘটনা এ প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করেছে।

নেতৃবৃন্দ আরও উল্লেখ করেন, রাষ্ট্র, সমাজ ও শিক্ষা ব্যবস্থায় কুরআন-সুন্নাহর আদর্শের পরিপূর্ণ প্রতিফলন না থাকার কারণে মানুষের নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ দিনদিন কমে আসছে। যার ফলে ধর্ষণের মতো ন্যাক্কারজনক ঘটনার হার দিনদিন অস্বাভাবিক হারে বাড়ছে। তাই এ থেকে উত্তরণের জন্য শিক্ষার সকল ক্ষেত্রে ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার প্রতি সকলকে গুরুত্ব দিতে হবে।

নেতৃবৃন্দ, লোমহর্ষক এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত বিচারের আওতায় এনে ভিকটিমকে যথাযথ চিকিৎসা প্রদানের জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানান।

প্রসঙ্গত, গণমাধ্যমের সূত্র অনুযায়ী গতকাল শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ধর্ষণের শিকার নারী তার স্বামীকে নিয়ে সিলেটের এমসি কলেজে ঘুরতে আসেন। এসময় কয়েকজন যুবক নারীকে জোরপূর্বক এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে তুলে নিয়ে যায়। এসময় ঐ নারীর স্বামী প্রতিবাদ করলে তারা তাকেও মারধর করে। সেখানে স্বামীকে বেঁধে রেখে পাঁচ-ছয়জন যুবক নারীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের শিকার নারী বর্তমানে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।